Thu. Feb 29th, 2024

অবৈধভাবে নার্সিং হোম চালানোর অভিযোগ পেয়ে তদন্তে গিয়ে এক কোয়াক চিকিৎসকের হাতে শারিরীক নিগৃহীত বি এম ও এইচ

1 min read

আজকেরবার্তা, গঙ্গারামপুর, ২০এপ্রিলঃঅবৈধভাবে নার্সিং হোম চালানোর অভিযোগ পয়ে তদন্তে গিয়ে এক কোয়াক চিকিৎসকের হাতে শারিরীক নিগৃহীত বি এম ও এইচ। দক্ষিণ দিনাজপুরের বংশীহারী থানার ডিটোল হাট এলাকার ঘটনা।

বংশীহারী থানা এলাকার ডিটল হাটে চলছে ল্যাব। পাশাপাশি, টিনের চালা ঘরে চলছে নার্সিং হোম। অভিযোগ, এলাকার কোয়াক ডাক্তার বিজন দে চালাচ্ছেন নার্সিংহোম। যার কোন বৈধ কাগজপত্র নেই সেখানে একাধিক রোগীর চিকিৎসা চলছে। অভিযোগ পেয়ে এদিন ওই ল্যাবে তদন্তে আসেন বংশীহারী বিএম‌ওএইচ। বংশীহারী বিএম‌ওএইচ পুলকেশ সাহা ঘটনাস্থলে গেলে তাকে শারীরিকভাবে হেনস্তা করা হয় পুলিশের সামনেই।

এলাকাবাসীদের অভিযোগ, কোয়াক ডাক্তার হওয়া সত্ত্বেও কিভাবে রক্ত পরীক্ষা বা অন্যান্য পরীক্ষাসহ রোগী ভর্তি করে চিকিৎসা করতে পারা যায়। অপরদিকে কোয়াক চিকিৎসক বিজন দে নিজেকে কোয়াক ডাক্তার হিসেবে পরিচয় দিলেও রোগী ভর্তির কথা অস্বীকার করেন। যদিও সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরায় রোগী ভর্তির যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে। এদিন ওই নার্সিংহোমে ভর্তি এক রোগিনী স্যালাইন হাতে নিয়ে জানান পেট ব্যথার কারণে তিনি এখানে ভর্তি রয়েছেন এবং চিকিৎসক বিজন দিয়ে তার চিকিৎসা করছে।

গ্রামবাসীদের অভিযোগের ভিত্তিতে এদিন রশিদপুর গ্রামীণ হাসপাতাল সুপার তথা বংশীহারী ব্লক মেডিকেল অফিসার পুলকের সাহা বংশীহারী থানার পুলিশ সহ ওই নার্সিংহোমের তদন্তে গেলে তাকে বিজন দে এবং তার পরিবারের লোকেরা শারীরিকভাবে হেনেস্তা করে।বিজন দের পরিবারের সবাই বি এম ও এইচ কে ধাক্কাধাক্কি করেন ও সরকারি আধিকারিকের হাত থেকে ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া হয় কাগজপত্র। বৈধ কাগজ না থাকা , চিকিৎসার লাইসেন্স বা কেমিস্ট্রির লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও কি করে তিনি প্রকাশ্যে এরকমভাবে একটি নার্সিংহোম পালি ক্লিনিক চালাচ্ছেন তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এমনকি অভিযুক্ত বিজন দে ওষুধের দোকান ও রয়েছে লাইসেন্স ছাড়া। এ বিষয়ে তাকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন কোয়াক ডাক্তার হিসেবে তিনি এসব গুলো করতে পারেন এটা তার অধিকার। যদিও তিনি রোগী ভর্তির কথা অস্বীকার করেছেন।

বিএম‌ওএইচ পুলকেশ সাহা জানান, অভিযোগ পেয়ে তদন্ত করতে গেলে তাকে শারীরিকভাবে নিগৃহীত হতে হয়। পুলিশের সামনেই গিয়ে ঘটনা ঘটেছে। পাশাপাশি তদন্ত করে তিনি জানতে পারেন, সেখানে ল্যাবরেটরির কোন লাইসেন্স নেই। তিনি আরো জানান খবর পেয়ে ভর্তি রোগীদের কে সেখান থেকে সরানো হয়েছে কিন্তু রোগী ভর্তির প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে।
এই বিষয়ে তিনি জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক কে রিপোর্ট পাঠাবেন।
পাশাপাশি তাকে শারীরিক নিগ্রহের জন্য বংশীহারী থানার ওই চিকিৎসকের নামে অভিযোগ দায়ের করেন।

You may have missed

Copyright © All rights reserved. | Newsphere by AF themes.