Thu. Apr 25th, 2024

তপনে পায়ে শিকল দিয়ে বাঁধা ভারসাম্যহীনা তরুণী, সরকারি সাহায্যের আর্জি পরিবারের

1 min read

 

আজকেরবার্তা, তপন, ১৬ নভেম্বরঃ বর্তমানে সমাজের প্রতিটা ছেলে হোক বা মেয়ে আধুনিকতার ছোঁয়ায় কাধে কাধ মিলিয়ে যুগের সাথে পাল্লা দিচ্ছে। কিন্তু এই যুগে এমন কিছু অসহায় মানুষ থাকে হাজার উপায় থাকলেও কিছু করার হয়না। এমনি অবস্থা দক্ষিন দিনাজপুর জেলা তপন ব্লকের মাম্পি খাতুনের। বাড়ির বারান্দায় পায়ে শিকলে চাবি লাগিয়ে বাঁধা ১৯ -২০ বছরের ওই তরুণী। এমনকি দিনের অধিকাংশ সময় ঘরের ভেতরো শিকল দিয়ে বেঁধে রাখতে হয়। কেন ওই তরুনীকে এইভাবে বেঁধে রাখা হচ্ছে? জানতে গেছিলাম আমরা পরিবারের সদস্যদের দাবি, ভাগ্যের পরিহাস, কিচ্ছু করার নেই। ও যে মানসিক ভারসাম্যহীনা।নাম মাম্পি খাতুন।বাবা মতিউর রহমান, পেশায় কৃসষক। কাজের জন্য বাইরে থাকেন, বাড়িতে প্রায়ই থাকেন না তিনি, অভাবের সংসার। প্রতিবন্ধি মেয়ের চিকিৎসা করানোর সামর্থ্য নেই সামান্য টাকা জোগাড়েও ব্যর্থ ওই পরিবার। তাই প্রতিবেশীদের হাত থেকে মেকে বাচিয়ে রাখতে পায়ে শিকল দিয়ে বেধে রাখা। এছাড়া আর ভিন্ন কোন উপায় নেই অসহায় পরিবারের কাছে।

এমন এক অমানবিক চিত্র ধরাপড়ল আমাদের কাছে শিকল দিয়ে বেঁধে তালা বন্ধ করে রাখছেন বাড়ির পরিজনেরা। ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিন দিনাজপুর জেলার তপন থানার মির্জাপুরে । এই ঘটনা নিয়ে সরব হয়েছে সমাজকর্মীরা। যদিও এইব্যপরে এখনো প্রশাসনের করো ভূমিকা দেখা যায়নি।

মানসিক ভারসাম্যহীন মামপি খাতুনের যদিও পরিবার সূত্রে জানা গেছে পাঁচ থেকে ছয় বছর বয়স থেকে মাম্পির এই অবস্থা। অর্থের অভাবে পরিবারের কেউই মাম্পির চিকিৎসা করতে পারেনি বড় ডাক্তারের কাছে। তাদের দাবি ভবিষ্যতে সরকারের দ্বারা মাম্পির চিকিৎসা হলে মাম্পি সুস্থ জীবন যাপন করতে পারবেন।i

 

 

You may have missed

Copyright © All rights reserved. | Newsphere by AF themes.